কুলাউড়ায় আ’লীগ সাধারণ সম্পাদক কামরুলের নেতৃত্বে বিজয় শোভাযাত্রা

কুলাউড়া রাজনীতি

কুলাউড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদ আসম কামরুল ইসলাম ২০ ডিসেম্বর সোমবার বিকেলে বঙ্গবন্ধু পরিষদ কুলাউড়া উপজেলা শাখার ব্যানারে বিজয় শোভাযাত্রার আয়োজন করেন। বিজয় শোভাযাত্রা ও বিশাল মিছিল শেষে প্রতিবাদ সমাবেশ করেন সম্পাদ আসম কামরুল ইসলাম।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসম কামরুল ইসলামের নেতৃত্বে বিজয় মিছিলে উপজেলার ১৩ ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের কয়েক হাজার নেতাকর্মী ও সমর্থকরা শহর প্রদক্ষিণ করে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে সমবেত হন।

এসময় বঙ্গবন্ধু পরিষদের সিনিয়র সহ-সভাপতি, আওয়ামী লীগ নেতা শফিউল আলম শফি’র সভাপতিত্বে ও পৌর কাউন্সিলর আতাউর রহমান চৌধুরী সোহেলের পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাখেন দলের সাধারণ সম্পাদক আসম কামরুল ইসলাম।

তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন,  আমার পিতা সাবেক এমপি, বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম আব্দুল জব্বার ছিলেন বঙ্গবন্ধুর একজন ঘনিষ্ঠ সহচর। তিনি কুলাউড়ায় আওয়ামী লীগকে সুংগঠিত করেছেন। বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদে কুলাউড়ায় সর্বপ্রথম তিনি বিক্ষোভ মিছিল করেন। সারাটি জীবন আমার বাবা বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে লালন করে ত্যাগের রাজনীতি করে গেছেন। আমরাও তাঁর সেই দেখানো পথে দলের একজন কর্মী হয়ে কাজ করছি। দলের দুর্দিনেও আমরা নেতাকর্মীদের নিয়ে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে রাজপথে রয়েছি। কিন্তু উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি’র নেতৃত্বে আমার বিরুদ্ধে এখন নানা ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। আমাকে দুর্নীতিবাজ বলে যে বক্তব্য তিনি দিয়েছেন তাঁর একটি প্রমাণ দেখাতে পারলে আমি রাজনীতি ছেড়ে দেবো।

সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেনজেলা পরিষদ সদস্য মাহবুবুর রহমান মান্না ,কুলাউড়া সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোছাদ্দিক আহমদ নোমান, যুবলীগের সাবেক সভাপতি বদরুল ইসলাম বদর, নারী নেত্রী নেহার বেগম প্রমুখ।

শোভাযাত্রায় নেতাকর্মীরা ব্যানার-ফেস্টুন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার, প্রটোকল অফিসার আবু জাফর রাজু এবং সাধারণ সম্পাদক আসম কামরুল ইসলাম এর ছবি, জাতীয় পতাকা নিয়ে ও ঢাকঢোল বাজিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে অংশগ্রহণ করেন।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ১০ নভেম্বর উপজেলা আওয়ামীলীগের কাউন্সিলে সভাপতি রফিকুল ইসলাম রেনু, সিনিয়র সহ-সভাপতি একেএম সফি আহমদ সলমান ও সাধারণ সম্পাদক আসম কামরুল ইসলাম নির্বাচিত হন। এরপর ২ বছর অতিবাহিত হলেও পুর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়নি। #

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *